Skip to main content

এক নজরে ক্বারীন জ্বিন সম্পর্কে জানা


 ⤵️ ক্বারীনের জাদু সহ সকল জাদু বিষয় বিস্তারিত আলোচনা:


ক্বারীন আমাদের শরীরের দারোয়ান পাহারাদার, তার অনুমতি ছাড়া শরীরে কোন যাদুর খাদেম প্রবেশ করতে পারেনা।

যেমন আপনার বাড়ির দারোয়ান, ডাকাত চোর প্রবেশ করতে দেয়না বাধা দেয়। ক্বারিন কে জাদুকর ভিক্টিমের সাথে জাদুতে বেধে ফেলে তারপর আপনার শরীরে প্রভাব বিস্তার করতে পারে। 


▪️কেন আল্লাহ কারীন দিয়েছেন


আল্লাহ কোনো কিছুই অকারণে সৃষ্টি করেন না।কারীন মূলত এক পরীক্ষা ও ভারসাম্যের শক্তি।আল্লাহ মানুষের মধ্যে আলো ও অন্ধকার দুই দিক সৃষ্টি করেছেন

রূহ (আলোর দিক) নফস ও কারীন (অন্ধকারের দিক)এ দুইটার থেকে টানাপোড়েনেই মানুষকে বেছে নিতে হয়  আলো না অন্ধকার।কারীনের কাজ হলো নফসকে প্রলুব্ধ করা, যাতে মানুষ ইখলাস (আন্তরিকতা) দিয়ে নিজের রূহকে জাগিয়ে রাখতে পারে।এটা না থাকলে মানুষ কখনও সংগ্রাম করত না, উন্নতি করত না, পাপ ও তওবা চিনত না।


এটা ইলাহি পরীক্ষা যেভাবে ফেরেশতারা বাহ্যিক নির্দেশ পালন করে।তেমনি কারীন তোমার অন্তরের প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করে 

তুমি কি শয়তানের দিকে যাবে, না রূহের আলোর দিকে।কারীন হচ্ছে তোমার ছায়া-আত্মা যা তোমার অবচেতন ভয়, কামনা, রাগ ও সন্দেহের প্রতীক।


আল্লাহ কোরআনে বলেন -


وَ مَنۡ یَّعۡشُ عَنۡ ذِكۡرِ الرَّحۡمٰنِ نُقَیِّضۡ لَهٗ شَیۡطٰنًا فَهُوَ لَهٗ قَرِیۡنٌ ﴿۳۶﴾


আর যে পরম করুণাময়ের যিকির থেকে বিমুখ থাকে আমি তার জন্য এক শয়তানকে নিয়োজিত করি, ফলে সে হয়ে যায় তার সঙ্গী।


এই শয়তান আল্লাহর যিকর থেকে উদাসীন ব্যক্তির সাথী হয়ে যায়। সে সব সময় তার সাথে থেকে তাকে সমস্ত নেকীর কাজে বাধা দেয়। অথবা মানুষ নিজেই এই শয়তানের সঙ্গী হয়ে যায় এবং তার নিকট থেকে কোন সময় পৃথক হয় না, বরং সমস্ত কার্যকলাপে তারই অনুসরণ করে এবং তার যাবতীয় কুমন্ত্রণায় তার আনুগত্য করে।


আল্লাহ তাআলা বলেন-


قَالَ قَرِیۡنُهٗ رَبَّنَا مَاۤ اَطۡغَیۡتُهٗ وَ لٰکِنۡ کَانَ فِیۡ ضَلٰلٍۭ بَعِیۡدٍ -  قَالَ لَا تَخۡتَصِمُوۡا لَدَیَّ وَ قَدۡ قَدَّمۡتُ اِلَیۡکُمۡ بِالۡوَعِیۡدِ


`তার সহচর (শয়তান) বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি তাকে অবাধ্য হতে প্ররোচিত করিনি। বস্তুতঃ সে নিজেই ছিল ঘোর বিভ্রান্ত। আল্লাহ বলবেন, তোমরা আমার কাছে বাক-বিতণ্ডা করো না। অবশ্যই আমি আগেই তোমাদের সতর্ক করেছিলাম।'


 [সুরা কাফ : আয়াত ২৭-২৮ ]


অন্য এক হাদিসে সুফিয়ানের বর্ণনায় এসেছে-


وقد وكِّل به قرينُه من الجنِّ وقرينُه من الملائكة


‘তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার সঙ্গে তার সহচর জিন (শয়তান) এবং সহচর ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেওয়া হয়নি।

 [মুসলিম ]


⤵️ জাদুর সাথে ক্বারীন জাদু করা হলে শরীরে কোন জাদু প্রবেশ করতে পারেনা এটা একমাএ বড় বড় জাদুকর করে থাকে। 


⤵️ কারীন জাদুর খাদেম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং চিকিৎসা পরামর্শ :


ইবনু তাইমিয়াহ (رحمه الله) বলেন:


> “القرين هو الشيطان المقرون بالإنسان، وهو أعلم الناس به، وقد يعينه السحرة في إيذاء الإنسان.


অর্থ: কারিন হলো মানুষের সাথে থাকা শয়তান, সে মানুষকে সবচেয়ে ভালো জানে, এবং জাদুকরদের সে মানুষকে ক্ষতি করার জন্য সাহায্য করতে পারে।


[ মাজমাউল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়া  ১৭/৪২৭ ]


⤵️ ইবনু তাইমিয়াহ (رحمه الله) বলেন


 وَالْقَرِينُ هُوَ الَّذِي يُوَسْوِسُ لِلْإِنْسَانِ، وَهُوَ أَعْلَمُ بِهِ مِنْ غَيْرِهِ، فَإِذَا دَخَلَ الْجِنّ أَوِ السِّحْرُ إِلَى الْإِنْسَانِ كَانَ الْقَرِينُ أَوَّلَ مَنْ يُعِينُهُمْ عَلَيْهِ.


কারিনই মানুষের জন্য ওয়াসওয়াসার উৎস। সে অন্যদের তুলনায় মানুষকে সবচেয়ে ভালো জানে। তাই যখন জ্বিন বা জাদু মানুষের উপর প্রভাব ফেলে, তখন কারিনই সবার আগে তাদের সাহায্য করে।


[ মাজমাউল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়া ৩৭/৩০০ ]


অর্থাৎ, কারিন মূলত ওয়াসওয়াসা দেয়, কিন্তু যদি জাদু বা জ্বিন আক্রমণ করে, সে তখন তাদের সহযোগী হয়ে যায়।


⤵️ ইমাম মুহাম্মদ মুতাওয়াল্লি আশ-শা‘রাওয়ী (রহ.)


 القرين لا يصنع السحر بنفسه، ولكنه يتعاون مع شياطين السحرة ليُمكِّنهم من التأثير على الإنسان.


কারিন নিজে জাদু বানায় না, তবে সে জাদুকরদের শয়তানদের সাথে সহযোগিতা করে, যাতে তারা মানুষের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।


[  তাফসীর আল-শা‘রাওয়ী,সূরা আ‘রাফ

 ২৭ -এর ব্যাখ্যায় ]


⤵️ আরব শায়েখ / রাক্বীদের অভিজ্ঞতা 


القرين هو بوابة الجسد لكافة الإصابات الروحية، فإذا تمت السيطرة على القرين لا يستطيع الجن الآخر الدخول.


কারিন হলো মানুষের দেহের জন্য সমস্ত জাদুটোনা আঘাতের দরজা। যদি কারিনের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়, তাহলে অন্য জিনের প্রবেশ সম্ভব হয় না। ( আরবি রাক্বী) 


সহজভাবে বললে, কারিন যদি দুর্বল বা নিয়ন্ত্রণহীন থাকে, তখন মানুষ জ্বিন যাদুটোনা আঘাতের জন্য সহজ লক্ষ্য হয়ে যায়।

----------------------------------------------------------

⤵️  কিভাবে কারিন জাদুর খাদেম হয়?

 কারিন মানুষের সাথে সবসময় থাকে

 তাই সে সবচেয়ে ভালো জানে মানুষের স্বভাব, চিন্তা, ভয়-ভীতি ও দুর্বলতা।

⤵️জাদুকর যখন জাদু করে সে বাইরের জ্বিনদের পাঠায়। কিন্তু শরীরে প্রবেশ বা প্রভাব ফেলার জন্য দরজা খুলে দেয় কারিন। কারিন সহযোগী হয়ে যায়।তখন কারিন হয়ে যায় জাদুর খাদেম, অর্থাৎ সহকারী।সে আক্রান্ত মানুষের ভেতরে জাদুর প্রভাব চালু রাখতে সাহায্য করে।


⤵️ কারিন খাদেম হলে লক্ষণ:


▪️সবসময় খারাপ চিন্তা/ওয়াসওয়াসা আসা

▪️নামাজে মনোযোগ না থাকা।

▪️বারবার একই জাদু ফিরে আসা।

▪️ঘুমে অশান্তি, ভয়ঙ্কর স্বপ্ন, খাবার-স্বপ্ন।

▪️চিকিৎসা (রুকইয়াহ) করলে কিছুটা ভালো হয়, আবার ফিরে আসে।


▌খাদেমুস সিহর (খেদমতকারী জ্বিন)


খাদেমুস সিহর হলো কিছু জ্বিন, যারা জাদুর ব্যবস্থাপনায় কাজ করে।

▪️কেউ থাকে বাইরের জাদু পাহারায় (যেমন মাটির নিচে চাপা জাদু ইত্যাদি)।

▪️কেউ থাকে মাসহূরের (জাদুগ্রস্তের) ঘরে।

▪️কেউ হয় সাহির (যাদুকর) আর মূল খাদেমের মাঝে বার্তাবাহক।

▪️কেউ থাকে মানুষের শরীরের ভেতরে।

▪️কেউ থাকে শরীরের চারপাশে।


⤵️এর মধ্যে থাকে:


▪️শয়তানি আযায়েমের খাদেম।

▪️তাবিজ-তালিসমের খাদেম।

▪️উওফাক (ওফাক/নকশা) আর শয়তানি কসমের খাদেম।

▪️জাদুবিদ্যার কিতাবের খাদেম ইত্যাদি।


❗ এরা সবাই আসলে ইবলিসের সৈন্য।

মূল খাদেম সাধারণত মানুষের মগজে বসবাস করে এবং সেখানে থেকে যাদুকরের আদেশ বাস্তবায়নের চেষ্টা করে।


দ্বিতীয়তঃ কতটুকু ক্ষতি করতে পারে?

▪️ খাদেমুস সিহর তার ক্ষমতা আর শয়তানি সহযোগীদের সহায়তায় যাদুকরের নির্দেশ মেনে কাজ করে।


নির্দেশ হতে পারে: অসুখ সৃষ্টি,কর্মক্ষেত্রে বা জীবনে বাধা,স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন ভাঙা,

দেশ/ঘরছাড়া,পাগলামি,সর্বজনীন অচলাবস্থা,এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত।


⤵️তাদের ক্ষতির ধরন তিনটি:


▪️ যাদুকরের দেয়া কাজ — (অসুখ, অচলাবস্থা ইত্যাদি)।

▪️কাজ করতে গিয়ে শরীর/মন/চিন্তায় আঘাত দেওয়া।

▪️ চিকিৎসার সময় প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত বিদ্বেষ বা হিংসা থেকে বাড়তি ক্ষতি করা।


⤵️ তৃতীয়তঃ খাদেমুস সিহর কি মারিদ বা আফরীত হতে পারে?

হ্যাঁ, তবে শুধু এক ক্ষেত্রে:

যদি জাদু হয় কালো জাদু  আর যাদুকর হয় অভিজ্ঞ, অত্যাচারী, এবং শয়তানি বিদ্যায় দক্ষ।

⤵️ চতুর্থতঃ খাদেমুস সিহরের কিছু গোপন দিক:

▪️অনেক খাদেম নিজেরাই শরীরের ভেতরে বাঁধা থাকে।

▪️অনেক সময় যাদুকর তাদের জিহ্বা বেঁধে রাখে যেন তারা রুকইয়াহ পড়ুয়ার কাছে কিছু ফাঁস না করে।

▪️ মূলত এক জন খাদেম থাকে, তবে তার সহকারী থাকে ভেতরে ও বাইরে। অনেক সময় শত শত জ্বিন শরীরে বসবাস করতে পারে।

▪️তাদের মধ্যে থাকে কুকুর, সাপ, আর নানা পশুর রূপধারী জ্বিন।

▪️ তাদেরও নেতা থাকে, তারা টয়লেট, নোংরা জায়গায় বৈঠক করে।

▪️সিহর মুত্তাবি (বারবার নতুন করে সক্রিয় হওয়া জাদু) খাদেমদের শয়তানি শক্তি ও চিকিৎসা সরবরাহ করে, মৃত্যুর কাছাকাছি এলে তাকে সরিয়ে নতুন খাদেম বসায়।

▪️খাদেমদের মধ্যেই থাকে সাহির (যাদুকর জ্বিন)।

▪️বুদ্ধিমান ও শক্তিশালী খাদেম সাধারণত মানুষের মুখে কথা বলে না। সে গোপন থাকে এবং নিজের সুরক্ষার জন্য আলাদা জাদু বানায় বা অন্য জ্বিন যাদুকরের বানানো জাদু ব্যবহার করে।


নোট : খাদেমুস সিহর আসলে ইবলিসের চাকর । তারা জাদুকরের আদেশ পালন করে, মানুষের শরীর, ঘর, জীবন ধ্বংস করে। কখনো মারিদ/আফরীতও হতে পারে। তাদের দল, নেতা, সাপ-কুকুর আকৃতি, পায়খানা টয়লেট নোংরা জায়গা বৈঠক সবই শয়তানি জগতের অংশ।


▌ক্বারিনের জাদু বিষয় আলোচনা। 


ক্বারীন বলতে বোঝানো হয় মানুষের সাথে জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত থাকা এক অদৃশ্য সঙ্গীকে। ইসলামের দৃষ্টিকোণ থেকে ক্বারীন হলো জ্বিন/শয়তান।


▪️ক্বারীনের বৈশিষ্ট্য

প্রতিটি মানুষের জন্য আলাদা ক্বারীন থাকে। কারও ক্বারীন অন্য কারও সঙ্গে মিলে যায় না।ক্বারীন শব্দের অর্থ হলো চিরসঙ্গী বা স্থায়ী সাথী।ক্বারীনের কাজ হলো মানুষকে মন্দ কাজে প্রলুব্ধ করা, আল্লাহর আদেশ অমান্য করানো।


▪ রাসূলুল্লাহ ﷺ ছাড়া কারও ক্বারীন ইসলাম গ্রহণ করেনি। উনার ক্বারীনকে আল্লাহ ইসলাম কবুল করিয়েছিলেন।


▪️কোরআনে ক্বারীন বিষয়  উল্লেখ করেন।


১. আল্লাহ বলেন:

وَ مَنۡ یَّعۡشُ عَنۡ ذِكۡرِ الرَّحۡمٰنِ نُقَیِّضۡ لَهٗ شَیۡطٰنًا فَهُوَ لَهٗ قَرِیۡنٌ ﴿۳۶﴾

আর যে পরম করুণাময়ের যিকির থেকে বিমুখ থাকে আমি তার জন্য এক শয়তানকে নিয়োজিত করি, ফলে সে হয়ে যায় তার সঙ্গী।


[সুরা আয - যুখরুক আয়াত -৩৬]


২. আরেক স্থানে:


قَالَ قَآئِلٌ مِّنۡهُمۡ اِنِّیۡ كَانَ لِیۡ قَرِیۡنٌ ﴿ۙ۵۱﴾


সে বলবে: আমার একজন ক্বারীন ছিল।


[সূরা আস-সাফফাত: ৫১ ]


৩. আবার বলা হয়েছে:


حَتّٰۤی اِذَا جَآءَنَا قَالَ یٰلَیۡتَ بَیۡنِیۡ وَ بَیۡنَكَ بُعۡدَ الۡمَشۡرِقَیۡنِ فَبِئۡسَ الۡقَرِیۡنُ ﴿۳۸﴾


অবশেষে যখন সে আমার নিকট আসবে তখন সে [তার শয়তান সংগীকে উদ্দেশ্য করে] বলবে, ‘হায়, আমার ও তোমার মধ্যে যদি পূর্ব-পশ্চিমের ব্যবধান থাকত’ সুতরাং কতইনা নিকৃষ্ট সে সঙ্গী!


[সূরা আয যুখরুফ: ৩৮]


▪️ ক্বারীনের কাজ ও প্রভাব


ক্বারীন মানুষকে পাপের প্রতি উৎসাহিত করে।মানুষের শরীরের দুর্বল জায়গা সে ভালো জানে।কোনো জাদু সফল হয় না যদি না ক্বারীন তাকে সহযোগিতা করে।

ক্বারীন মানুষের কাছাকাছি সর্বোচ্চ ৩০০-৪০০ মিটার দূরত্বে থাকতে পারে এবং কখনও শরীরে প্রবেশ করতেও পারে (বিশেষ করে  জাদুর মাধ্যমে)।


▪️ইবনু তাইমিয়াহ (رحمه الله) বলেন:


القرين هو الشيطان المقرون بالإنسان، وهو أعلم الناس به، وقد يعينه السحرة في إيذاء الإنسان.


অর্থ: কারিন হলো মানুষের সাথে থাকা শয়তান, সে মানুষকে সবচেয়ে ভালো জানে, এবং জাদুকরদের সে মানুষকে ক্ষতি করার জন্য সাহায্য করতে পারে।


(  মাজমাউল ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়া  ১৭/৪২৭)


▪️ক্বারীন সম্পর্কিত জাদু


ক্বারীনের জাদু: শয়তানরা নতুন ধরনের চুক্তি তৈরি করে যেখানে ক্বারীনকে মানুষের শরীরে বেঁধে ফেলা হয়।ক্বারীনের ওপর রুকইয়া সাধারণভাবে কাজ করে না। কারণ সে মানুষের দুর্বলতা খুব ভালো জানে।


আরেক ধরনের জাদু হলো ক্বারীনের বিপরীত জাদু এর উদ্দেশ্য হলো মানুষকে পাপ ও অশ্লীলতায় ফেলানো—এক্ষেত্রে এক মানুষের ক্বারীন আরেকজনের ক্বারীনের উপর প্রভাব ফেলে তাদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক ঘটানোর জন্য।


▪️ক্বারীন দ্বারা ক্ষতির লক্ষণ


অকারণ দুঃখ ও হতাশা, অনেক সময় কান্না।ক্ষুধামন্দা, কাজের প্রতি অনীহা।

ঘুম কম হওয়া, দুঃস্বপ্ন দেখা।মাথাব্যথা, অবসাদ, মনোযোগে ঘাটতি।মৃত্যু কামনা বা হতাশা। আত্মহত্যার প্রবণতা, বিচ্ছেদ এবং করা।  বারবার একই জাদু ফিরে আসা।

চিকিৎসা (রুকইয়াহ) করলে কিছুটা ভালো হয়, আবার ফিরে আসে। 

▪️নারীর ক্ষেত্রে: মাসিক বন্ধ হয়ে যাওয়া বা অস্বাভাবিক রক্তপাত।পুরুষের ক্ষেত্রে যৌন দুর্বলতা। 


নোটঃ কারিন জাদুর সাথে সম্পৃক্ত থাকলে রুকইয়াহ সাধারনভাবে কাজ করেনা তার অন্যতম কারন হলো সে ভিক্টিমের দূর্বলতা বেশি জানে।

Comments

Popular posts from this blog

ব্যবহৃত অডিও রুকইয়াহ

  ব্যবহৃত অডিও রুকইয়াহঃ (০১) কমন রুকইয়াহ - (শাইখ হিবশী) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স (০২) কমন রুকইয়াহ - (শাইখ সুদাইস) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স (০৩) বদ-নজর, হিংসা (Evil Eye, Jealousy, Envy) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা (০৪) যাদু, বান (Black Magic, Witchcraft) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা (০৫) রুকইয়াহ - আয়াতুল হারক (Ruqyah Harq) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা (০৬) সূরা বাকারাহ (শাইখ মুআইকিলি) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা (০৭) পাঁচ সূরার রুকইয়াহ (Ruqyah - 5 Surahs) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা (০৮) আট সূরার রুকইয়াহ (Ruqyah - 8 Surahs) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা (০৯) আযান পুনরাবৃত্তি (Repeated Azan) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা (১০) যাদুকরের প্রতি অভিশাপ (Curse) = ডাউনলোড লিংকঃ- গুগল-ড্রাইভ ড্রপবক্স মেগা =================================